আগে বিষয় নির্বাচন করুন!
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা ও পারফরম্যান্স নিয়ন্ত্রণ করা এবং দৈনন্দিন কাজের গতি বাড়ানোর জন্য সিস্টেম সেটিংস, স্ক্রিনশট এবং ফাইল কম্প্রেশন টুলস ব্যবহারের দক্ষতা থাকা আবশ্যক।
উইন্ডোজ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ও ব্যক্তিগত পছন্দগুলো কনফিগার এবং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এই দুটি মূল মাধ্যম ব্যবহৃত হয়।
উইন্ডোজ ১০ ও ১১-এর আধুনিক ও টাচ-ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেস হলো Settings।
Win + Iউইন্ডোজের সনাতন ও অ্যাডভান্সড ম্যানেজমেন্ট টুল।
| বিষয় | Settings | Control Panel |
|---|---|---|
| ইন্টারফেস | আধুনিক, মিনিমালিস্ট ও সহজবোধ্য | ক্লাসিক ও কিছুটা জটিল তালিকা |
| ব্যবহারের ক্ষেত্র | সাধারণ ও নিয়মিত কনফিগারেশন | অ্যাডভান্সড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজ |
| উইন্ডোজ ভার্সন | Windows 10 ও 11-এ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে | Windows 95 থেকে বর্তমান পর্যন্ত ব্যবহৃত |
দৈনন্দিন কাজ ও অফিশিয়াল ডকুমেন্টেশনে স্ক্রিনের ছবি নেওয়া এবং একাধিক ফাইল সংকুচিত করার টুলসগুলো অপরিহার্য।
কম্পিউটার স্ক্রিনে চলমান যেকোনো দৃশ্যকে ছবি আকারে সংরক্ষণ করার পদ্ধতি।
Win + Shift + S চাপলে স্ক্রিনের নির্দিষ্ট অংশ, ফুলস্ক্রিন বা ফ্রি-ফর্ম অংশ সিলেক্ট করে কপি বা সেভ করা যায়।Win + PrtScn (Print Screen) চাপলে পুরো স্ক্রিন ক্যাপচার হয়ে সরাসরি Pictures > Screenshots ফোল্ডারে ইমেজ ফাইল হিসেবে সেভ হয়।PrtScn কি চাপলে পুরো স্ক্রিনের ছবি কপি হয়, যা পরবর্তীতে Paint বা Word-এ Ctrl + V চেপে পেস্ট করা যায়।অনেকগুলো ফাইলকে একত্র করে ফাইলের সাইজ ছোট করাকে Zip (Compress) এবং সেই সংকুচিত ফাইল থেকে আগের মূল ফাইলগুলোকে বের করে আনাকে Unzip (Extract) বলা হয়।
কোন মন্তব্য নেই