আগে বিষয় নির্বাচন করুন!
ভাষার পরিবর্তন ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। ধ্বনি পরিবর্তন নানা প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। নিচে এর প্রধান প্রক্রিয়াগুলো উল্লেখ করা হলো:
উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদি, মধ্য বা অন্তে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে স্বরাগম বলে। এটি তিন প্রকার:
উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে:
সংযুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে স্বরধ্বনি এলে:
শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যুক্ত হলে:
পরের ই/উ কার-এর আগে স্বর ধ্বনি উচ্চারিত হলে:
একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করতে মাঝখানে স্বর যুক্ত হয়:
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অপর স্বরের পরিবর্তন:
চলিত বাংলায় উদাহরণ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য ধ্বনির লোপ:
দুটি ব্যঞ্জনের স্থান পরিবর্তন হলে:
দুটি ধ্বনি একে অপরকে প্রভাবিত করে সমতা লাভ করে:
দুটি সমবর্ণের একটি পরিবর্তিত হলে:
শব্দে জোরের জন্য ব্যঞ্জন দ্বিত্ব হয়:
নিচের শব্দগুলোর ঠিক উচ্চারণ পাশে লিখো:
দ্বিতীয়, আত্মীয়, অবজ্ঞা, বিশ্ব, বিষয়, সত্য, সহ্য
নমুনা: ঝঞ্ঝা → ঝনঝা, কণ্টক → কণটক
সংজ্ঞা লেখ ও উদাহরণ দাও:
নিচের শব্দগুলো কোন ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মে গঠিত হয়েছে তা লিখো:
বন্ধনীর মধ্য থেকে ঠিক সূত্রটি বেছে নিয়ে শূন্যস্থান পূর্ণ করো:
(অপিনিহিতি, ধ্বনি-বিপর্যয়, স্বরধ্বনি লোপ, স্বরাগম, অভিশ্রুতি, স্বরসঙ্গতি, অসমীকরণ, বর্ণদ্বিত্বা)
১. একই স্বরের পুনরাবৃত্তি দূর করতে 'আ' যুক্ত হলে — ..............
২. শব্দে ই বা উ পূর্বে উচ্চারিত হলে — ..............
৩. দুটি সমধ্বনির একটি লোপ হলে — ..............
৪. ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব হলে — ..............
৫. সংযুক্ত ব্যঞ্জনের মাঝে স্বরধ্বনি এলে — ..............
বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি লিখো (যেমন – ঘোষ, মহাপ্রাণ, কণ্ঠ্য):
ঠিক/ভুল চিহ্ন দাও (✓):
কোন মন্তব্য নেই