আগে বিষয় নির্বাচন করুন!
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই। দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দে এর প্রয়োজন না হলেও তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে এর সঠিক ব্যবহার রক্ষা করা হয়।
তৎসম শব্দে 'ণ' ব্যবহারের এই নিয়মকে “ণত্ব বিধান” বলা হয়।
ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়।
ঋ, র, ষ-এর পরে 'ণ' হয়।
যদি ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় বা প-বর্গীয় ধ্বনি থাকে, তাহলে পরবর্তী 'ন' → 'ণ' হয়।
কিছু শব্দে প্রাকৃতিকভাবে 'ণ' ব্যবহৃত হয়: চাণক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কণিকা, কল্যাণ, শোণিত, গুণ, পুণ্য, ফণী, অণু, বিপণি, বেণী, আপণ, লাবণ্য, বাণী, নিপুণ, ভণিতা, পাণি, গৌণ, কোণ, ভাণ, পণ, শাণ, চিক্কণ, নিক্কণ, তৃণ, বণিক, গুণ, গণনা, পিণাক, পণ্য, বাণ
বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দে এর প্রয়োজন না হলেও তৎসম শব্দে এর সঠিক ব্যবহার রক্ষা করা হয়।
তৎসম শব্দে 'ষ' ব্যবহারের নিয়মকে “ষত্ব বিধান” বলা হয়।
বিদেশি শব্দে (আরবি, ফারসি, ইংরেজি) সাধারণত ষ হয় না।
উদাহরণ: জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট
'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত সংস্কৃত পদেও ষ হয় না।
উদাহরণ: অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ
“ণত্ব বিধান” ও “ষত্ব বিধান” বলতে কী বোঝ? উদাহরণসহ আলোচনা কর।
সমাসবদ্ধ পদে ণত্ব বিধান খাটে না, এমন ৫টি উদাহরণ দাও।
(ক) ট, ঠ, ড এবং ঢ বর্ণের পূর্বে 'ন' যুক্ত হলে সর্বদাই 'ণ' হয়।
যেমন: ..............................................
(খ) অ, আ ব্যতীত স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের দন্ত্য 'স' → মূর্ধন্য 'ষ'
যেমন: .............................................. (৫টি)
(গ) বিদেশি ও দেশি শব্দে 'ষ' হয় না।
যেমন: .............................................. (৫টি)
লবন, নশ্ট, পুরষ্কার, সুসম, আনুসঙ্গিক, ষ্টেশন, পোষাক, জার্মাণ, কুরআণ, দূর্ণাম
(ক)
(খ)
কোন মন্তব্য নেই